রোববার ১৩ জুন ২০২১ ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

রোববার ১৩ জুন ২০২১

সিয়াচেনে ৬ দিন পর বরফের নীচ থেকে সেনাকে জীবিত উদ্ধার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬, ১:০৬ পিএম  Count : 683


                                                                                           
ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের সিয়াচেনে ৬ দিন ধরে বরফের মধ্যে চাপা পড়ে থাকা এক ভারতীয় সেনাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। প্রায় ২৫ ফুট বরফের লেয়ারে চাপা পড়ে ছিল ওই সেনা।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৯ হাজার ফুট ওপরে বরফে আচ্ছাদিত একটি এলাকায় একজন মানুষ কতোক্ষণ টিকতে পারবেন? আর যদি সেখানে মাথার ওপর হঠাৎ ধসে পড়ে প্রায় এক কিলোমিটার প্রশস্ত একটি বরফের দেয়াল? তাহলে তো মানব অস্তিত্বের চিহ্নই থাকার কথা নয়। এমনই এক পরিস্থিতিতে নিখোঁজ হওয়ার ছয়দিন পর উদ্ধার হলেন এক ভারতীয় সেনা।
                                                                                          
গত বুধবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) কাশ্মিরের লাদাখে ও হিমালয় পর্বতমালার পূর্বাঞ্চলীয় কারাকোরাম রেঞ্জে অবস্থিত সিয়াচেন হিমবাহে একটি সেনা পোস্টে তুষারধসের ঘটনায় নিখোঁজ হন দেশটির ১০ সেনা। নিখোঁজদের মধ্যে একজন জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারও ছিলেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে, এ ঘটনার ছয়দিন পর মঙ্গলবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ২৫ ফুট বরফের নিচ থেকে ল্যান্স নায়েক হানামানথাপ্পাকে উদ্ধার করা হয়।
এই ছয়দিন এভাবে বরফের নিচে মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় তিনি কিভাবে বেঁচে থাকলেন, সেটাই সবাইকে বিস্মিত করছে।

খবরে জানানো হয়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৯ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত ওই পোস্টের ওপর প্রায় এক কিলোমিটার প্রশস্ত ও ছয়শ মিটার উঁচু একটি বরফের দেয়াল ধসে পড়ে।
 এমন পরিস্থিতিতে কারোর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা না থাকলেও ভারতীয় সেনা ও বিমানবাহিনী যৌথ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

এর একমাত্র যুক্তি ছিল, সিয়াচেন হিমবাহ এলাকায় ১৫ হাজার ফুট ওপরের যেকোনো পোস্টের দায়িত্বে থাকা সব সেনাদেরই অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়ে থাকে।
 যদি কোনোভাবে বরফের নিচ থেকে নিখোঁজ সেনারা নিজেদের বের করে নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে অবশ্যই তাদের ফিরে পাওয়া যাবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

প্রকাশক ও সম্পাদক :---
"মা নীড়" ১৩২/৩ আহমদবাগ, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪
ফোন : +৮৮-০২-৭২৭৫১০৭, মোবাইল : ০১৭৩৯-৩৬০৮৬৩, ই-মেইল : [email protected]